শুক্রবার , ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - গ্রীষ্মকাল || ২৮শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

ফরিদপুর-৪ আসনে ১১ দলের বিজয় নিশ্চিত করতে শেষ মুহূর্তে সরে দাঁড়ালেন রিক্সার প্রার্থী মিজানুর রহমান মোল্লা

প্রকাশিত হয়েছে- বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভাঙ্গা,ফরিদপুর:

ফরিদপুর-৪ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে নাটকীয় ভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মনোনীত রিকশা মার্কার প্রার্থী মাওলানা মোঃ মিজানুর রহমান মোল্লা। একই সঙ্গে তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা সরোয়ার হোসাইনকে সমর্থন দেওয়ার কথা জানান।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মিজানুর রহমান মোল্লা।

তিনি বলেন, সারাদেশে ১১ দলীয় জোট ঐক্যবদ্ধ থাকলেও ফরিদপুর-৪ আসনটি উন্মুক্ত থাকায় দুই দলের দুইজন প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে ছিলেন। এতে দল ও ইসলামের বিজয় নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। সেই উপলব্ধি থেকেই আমি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা সরোয়ার হোসাইনকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখন ইনশাআল্লাহ আমাদের বিজয়ে আর কোনো বাধা থাকবে না।

তিনি আরও জানান, দলের আমির আল্লামা মামুনুল হকের সঙ্গে পরামর্শ করে এবং দলীয় সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। “আমি প্রায় দুই বছর ধরে ফরিদপুর-৪ আসনের তিনটি থানায় গণসংযোগ ও নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছি। শেষ পর্যন্ত জোটের সম্মান ও ইসলামী ঐক্যের স্বার্থে এই ত্যাগ স্বীকার করেছি। ইনশাআল্লাহ, এখন এই আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীই বিজয়ী হবেন ইনশাআল্লাহ।

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা সরোয়ার হোসাইন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, “ফরিদপুর-৪ আসনে ১১ দলীয় জোটের দুইজন প্রার্থী ছিলেন। আমার জোটের ছোট ভাই মাওলানা মিজানুর রহমান মোল্লা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়ে আমাকে সমর্থন জানিয়েছেন। এটি ইসলামী ঐক্যের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এখন আমাদের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না, ইনশাআল্লাহ।”

তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত হলে ন্যায়, ইনসাফ ও ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতে জনগণের কল্যাণে কাজ করবেন। ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে সহায়ক হবে। এই ঐক্যের ফলে ফরিদপুর-৪ আসনে নির্বাচনী সমীকরণ নতুনভাবে সাজানো হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।